
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুন থেকে শনিবার (২২ জুন) দুপুর পর্যন্ত ১২ জন রোগী বিভিন্ন প্রজাতির সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ জন রোগীই বিষহীন সাপের কামড়ে আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জৈন্তাপুর থেকে একজনকে কোবরা সাপের কামড়ে গুরুতর আহতাবস্থায় ২০ তারিখে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে আইসিউতে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।এদিকে রাসেল ভাইপারের খবর নিমিষেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায়, বন্যার্ত এলাকাগুলোতে আতঙ্কে জেঁকে বসেছে। অনেকের ঘরের ভিতরেই পানি রয়ে গেছে, অনেকের ঘর থেকে পানি কেবল নামতে শুরু করেছে, অনেকের গবাদিপশুর খাবার সংগ্রহে পানিতে নামতে হচ্ছে। পানিবন্দি অবস্থায় এই আতঙ্ক তাদের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, সিলেটে রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে আক্রান্ত কোনো রোগী এখন পর্যন্ত আমাদের হাসপাতালে আসে নাই। আমাদের সিলেটে রাসেল ভাইপার নাই। এখন পর্যন্ত এই বন্যা পরিস্থিতিতে ১২ জন রোগী আমাদের এখানে এসেছেন। ১১ জনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়, তিনি আইসিউতে রয়েছেন। আমরা আশা করি, তিনিও সুস্থ হয়ে ফিরবেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন।
Copyright © 2026 সংবাদের আলো. All rights reserved.