বিএনপির ৪৭ নেতাকে ওমরাহ পালনে সৌদি পাঠালেন বাবর
সংবাদের আলো ডেস্ক: বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ৪৭ নেতা-কর্মীকে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর। ধর্মীয় অনুশাসনে নেতা-কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭ সদস্যের দলটি সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে লুৎফুজ্জামান বাবর নিজে তাদের সঙ্গে যাননি।
লুৎফুজ্জামান বাবরের তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মির্জা মো. হায়দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘লুৎফুজ্জামান বাবরের নিজস্ব অর্থায়নে তার নির্বাচনি এলাকার মোহনগঞ্জের ১৮ জন, মদনের ১৭ জন ও খালিয়াজুরীর ১১ জন নেতা-কর্মীকে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেও এই দলের সঙ্গে যাচ্ছি। ধর্মীয় অনুশাসনে নেতা-কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
দলটিতে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী পুতুল, সাবেক পৌর মেয়র মাহাবুবুন্নবী শেখ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জামিউল ইসলাম রাকিবসহ ১৮ জন রয়েছেন।
মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরে আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন, যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল রুবেল, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ছাত্রদলের সভাপতি শামীম হাসানসহ ১৭ জন এই দলে রয়েছেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কেষ্ট, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া উদ্দিন, যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক ছুটন, সদস্যসচিব রাজিব হোসেন পলাশ, ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল হক পলিন ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়সহ ১১ জন রয়েছেন।
এছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মদন উপজেলা সভাপতি মুফতি আনোয়ার হোসেনও এই দলে রয়েছেন।
খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন বলেন, এতজন নেতা-কর্মীকে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। এটি আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ।
মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন বলেন, লুৎফুজ্জামান বাবরের উদ্যোগে আমরা ওমরাহ পালনের সুযোগ পেয়েছি। এ জন্য তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, এলাকার নেতাকর্মীদের ধর্মীয় অনুশাসনে উদ্বুদ্ধ করতেই এ ধরনের চিন্তা করেছি। পর্যায়ক্রমে আরও যারা আছেন, তাদেরও ওমরাহ পালনের জন্য উদ্যোগ নেব। এতে মানুষ চিন্তা-চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি আকৃষ্ট হবে। আমি আখেরাতের কথা চিন্তা করেই এই কাজটি করেছি। আমি তাদের জেলে পাঠিয়ে দ্বিনের পথে আনতে পারব না। তাই ওমরাহতে পাঠালাম। ভবিষ্যতে আরও পাঠাব, ইনশাআল্লাহ।



সংবাদের আলো বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।